শিশুর দাঁত উঠছে না?

0
246

শিশুদের দন্ত কুসুম বিকশিত হওয়ার চক্রের তিনটি পর্ব আছে। প্রথমে দাঁত গঠনের জন্য খনিজ পদার্থের সমাগম ঘটে, দাঁত গজায়, তারপর ঝরে পড়ে।
দাঁতে খনিজ পদার্থের সমাহার শুরু হয় ভ্রূণ অবস্থাতেই। গর্ভকালের মাঝামাঝি অর্থাৎ ১৪ সপ্তাহের দিকে শুরু হয় এবং অস্থায়ী দাঁতের জন্য ৩ বছর বয়স পর্যন্ত চলতে থাকে। স্থায়ী দাঁতের জন্য ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত চলে।
দাঁতের গঠন শুরু হয় মুকুট থেকে, বিস্তৃত হয় শিকড়ের দিকে।

প্রথম দাঁত ওঠে মধ্য চোয়ালের (সেন্ট্রাল ইনসিসর), পরে তা দুপাশে ছড়াতে থাকে। এরপর শুরু হয় দাঁত পড়ে যাওয়ার পর্ব। সাধারণত ৬ বছর বয়সে দাঁত পড়া শুরু হয়, ১২ বছর বয়স অব্দি তা বহাল থাকে।
স্থায়ী দাঁত ওঠে অস্থায়ী দাঁত পড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, কখনোবা ৪-৫ মাস সময় নিয়ে। এই দাঁত পড়া ও দাঁত ওঠার সময়কাল এদিক-ওদিক হলে শুরু হয় দুশ্চিন্তা। আসলে শিশুদাঁত ওঠার সঙ্গে তার শরীরের বিকাশের তাল বেশির ভাগ সময় মেলে না।

তবে ১৩ মাস বয়সেও শিশুর দাঁত না গজালে একটু দেরি হচ্ছে বলে ধরে নেওয়া যায়। তার সচরাচর কারণ হলো:
* হাইপোথাইরড (থাইরয়েড হরমোনের অভাব)
* পরিবারগত
* অজানা কারণ
* কোনো নির্দিষ্ট দাঁত না গজানোর প্রধান কারণ ঘিঞ্জি দাঁত সমস্যা—বের হয়ে আসার পথ না পাওয়া, মাড়ির ফাইব্রোসিস।

আবার কোনো কোনো শিশুর ৬ বছর বয়সের আগেই অকালে দাঁত পড়া শুরু হয়ে যেতে পারে। এর কারণগুলো হলো হিস্টোসাইটাসিস এক্স, সাইক্লিক নিউট্রোপেনিয়া, লিউকোমিয়া, আঘাতজনিত।
আবার একেবারে প্রথম থেকেই দাঁতের রং অস্বাভাবিক হতে পারে। এর কারণ—পুষ্টি সমস্যা, দীর্ঘ রোগভোগ, ওষুধের প্রতিক্রিয়া যেমন টেট্রাসাইক্লিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here